বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে ইতিমধ্যে সাগরে থাকা ইরানি তেলের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমনটি জানিয়েছেন।
বেসেন্ট বলেন, এই পদক্ষেপের ফলে বর্তমানে সাগরে থাকা প্রায় ১৪ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে আসার সুযোগ পাবে। উল্লেখ্য, বিশ্বে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেলের চাহিদা রয়েছে।
👉Hi friend, I love dating. Do you want to date me?Then
come and join by clicking on my post and talk to me for free.😍
মার্কিন অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে তাদের সংরক্ষিত তেলের মজুতও বাজারে ছাড়তে পারে।
বেসেন্ট চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে বলেছিলেন, মার্কিন প্রশাসনের জ্ঞাতসারেই ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারগুলো ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালি ত্যাগ করছে, যা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে।
তেলের সরবরাহ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য প্রচেষ্টার সঙ্গেই এই উদ্যোগ যুক্ত হতে যাচ্ছে। এর আগে দেশটি রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র তার শত্রুপক্ষকে অর্থায়ন করছে কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী ১০ থেকে ১৪ দিন তেলের দাম কম রাখতে যুক্তরাষ্ট্র মূলত ‘ইরানি ব্যারেলগুলোকেই (তেল) ইরানিদের বিরুদ্ধে ব্যবহার’ করবে।


.png)
0 Comments