টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের পারফরম্যান্সে সমর্থকেরা মোটেও সন্তুষ্ট নন। সালমান আগার দলের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা এখন সুতার ওপর ঝুলছে। তাতে সমালোচনাও হচ্ছে চারপাশ থেকে। তবে এরই মধ্যে ব্যক্তি–আক্রমণ ও খেলোয়াড়দের পরিবারের সদস্যদেরও কটূক্তি শুনতে হয়েছে।
সুপার এইটে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ করেন কিছু সমর্থক। সালমানের স্ত্রী এ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে ইনস্টাগ্রামে করা পোস্টে বলেন, ‘গালাগালি করলে বিশ্বকাপ আসবে না।’
এমন পরিস্থিতিতে দলীয় অধিনায়কের পাশে দাঁড়িয়েছেন পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার সালমান মির্জা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের আগে গতকাল সাংবাদিকদের সালমান বলেন, ‘কোনো খেলোয়াড়ের পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্য করে এমন আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক। একজন খেলোয়াড় সব সময়ই মাঠে ভালো করতে চায়। কোনো দিন যদি সে ভালো খেলতে না পারে, তার মানে এই নয় যে তার পরিবারের ওপর আক্রমণ করতে হবে। আমার মনে হয়, এমনটা কখনোই হওয়া উচিত নয়।’
সুপার এইটে গতকাল গ্রুপ ২ থেকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ড জেতায় টিকে আছে পাকিস্তানের সেমিফাইনালে খেলার আশা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আজ ন্যূনতম ৬৪ রানের ব্যবধান কিংবা ১৩.১ ওভারের মধ্যে জিতলে সেমিফাইনালে খেলবে পাকিস্তান। গতকাল ইংল্যান্ড–নিউজিল্যান্ড ম্যাচের আগে এ নিয়ে সালমান আশা প্রকাশ করে বলেন, সেমিফাইনালে ওঠার শর্তপূরণে পাকিস্তান যা যা করা সম্ভব, তা করবে।
এবার টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ৩ ইনিংসে ৪ উইকেট পাওয়া সালমান এ নিয়ে বলেন, ‘শুধু সেমিফাইনালে ওঠা নয়, সেখানে ভালো করতেও যথেষ্ট সামর্থ্য আছে পাকিস্তানের। তবে এখন সবকিছু ঝুলে আছে সূক্ষ্ম এক সুতায়, যা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আমরা কেবল নিজেদের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আছি এবং আশা করছি, সেখানে ভালো করতে পারব। আজকের (ইংল্যান্ড–নিউজিল্যান্ড) ম্যাচ হোক বা আগামীকালের (আজ), সেগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আমরা শুধু নিজেদের খেলায় মনোযোগ দিচ্ছি এবং সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।’
ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে পাকিস্তান।

0 Comments